মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকার দুর্গম উপকূলে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাঈদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, টেকনাফের বাহারছড়ার দুর্গম উপকূলীয় এলাকা ব্যবহার করে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সাগরপথে লোকজনকে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে কচ্ছপিয়া এলাকায় কয়েকজন নারী-পুরুষকে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়েছে—এমন গোপন তথ্য পায় পুলিশ।
তথ্যের ভিত্তিতে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল কচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে নারীসহ ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তাদের মধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা এবং ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাঈদ বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পুলিশের ধারণা, মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্দেশ্যেই ওই ব্যক্তিদের কচ্ছপিয়া উপকূলীয় এলাকায় জড়ো করা হয়েছিল। মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।









