হতাশাজনক শুরুর পর ঘুরে দাঁড়ানোর জবাবটা মাঠেই দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে নিজের ছায়া হয়ে থাকা পর্তুগাল অধিনায়ক উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ফিরলেন চেনা রূপে। তার ঐতিহাসিক গোলে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় পর্তুগাল, পরে নুনো মেন্দেসের আরেক গোলে ১৭ মিনিটের মধ্যেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইউরোপিয়ান দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। প্রথমদিকে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। ব্রুনো ফার্নান্দেসকে লক্ষ্য করে দেওয়া একটি পাস প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররা ক্লিয়ার করে দেন। পরে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া ব্রুনোর একটি শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

এরপর সুযোগ পান রোনালদোও। বাঁ দিক থেকে নুনো মেন্দেসের বাড়ানো দারুণ এক ক্রস দূরের পোস্টে থাকা রোনালদোর কাছে পৌঁছালেও তিনি ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি।

citytouch 728-X-90

তবে ষষ্ঠ মিনিটে আর ভুল করেননি পর্তুগিজ মহাতারকা। জোয়াও কানসেলোর নিচু ক্রস বক্সে পেয়ে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরাও উল্লাসে মেতে ওঠেন এই অনন্য অর্জনের সাক্ষী হয়ে।

রোনালদোর গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে পর্তুগাল। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নুনো মেন্দেস। বাঁ পায়ের নিচু ও শক্তিশালী শটে উজবেকিস্তানের জালে বল পাঠিয়ে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

রোনালদোর ঐতিহাসিক গোল ও পর্তুগালের দুর্দান্ত সূচনায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় পর্তুগিজরা।