মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বাস্তবায়িত ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি)’ কার্যক্রমের আওতায় লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ১ হাজার ৪৭২ জন নারীকে এককালীন ২০ হাজার টাকা করে ব্যবসায়িক অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতায় ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের ‘ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট’-এর বেইজলাইন ও এন্ডলাইন জরিপের অংশ হিসেবে নির্বাচিত এসব নারীকে এই অনুদান দেওয়া হবে।


citytouch 728-X-90

অনুদান প্রদানের আগে নির্বাচিত উপকারভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও বিকাশ নম্বরের সঠিকতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মহিলা ও শিশু বিষয়ক-২ অধিশাখার উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত ৩০ সেপ্টেম্বরের এক চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

চিঠিতে জানানো হয়, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে লটারির ভিত্তিতে ২৪ জেলার ৭২টি উপজেলা থেকে ১ হাজার ৪৭২ জন ভিডব্লিউবি উপকারভোগীকে নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ব্যবসায়িক অনুদান হিসেবে এককালীন ২০ হাজার টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।


নির্বাচিত নারীদের এনআইডি ও বিকাশ নম্বর যাচাইয়ের কাজ সংশ্লিষ্ট উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অনুদানের অর্থ দেওয়ার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভিডব্লিউবি শাখা থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভিডব্লিউবি) রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত ৫ অক্টোবরের একটি চিঠিতে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়।


এতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ঢাকা কার্যালয়ের প্রোগ্রাম পলিসি অফিসারকেও অবহিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের আওতায় নির্বাচিত নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এই ব্যবসায়িক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এককালীন ২০ হাজার টাকার অনুদান ক্ষুদ্র ব্যবসা বা অন্যান্য আয়মূলক কাজে বিনিয়োগের মাধ্যমে উপকারভোগীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।