আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা স্বর্ণের ডিম কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে না পেরে পুনরায় আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

পৃথক দুটি অভিযানে মোট ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম ওজনের ছয়টি স্বর্ণের ডিম আটক করা হয়েছে। এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ মিনহাজকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে কাস্টমস গোয়েন্দাদের তৎপরতায় ওই যাত্রীর সহযোগিতায় তিনটি স্বর্ণের ডিম উদ্ধার করা হয়। এগুলোর মোট ওজন ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।

অন্য একটি ঘটনায় বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় ফেলে রাখা আরও তিনটি স্বর্ণের ডিম আটক করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এগুলোর ওজনও ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, স্বর্ণের ডিমগুলো আগে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। কিন্তু দেশের বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় সেগুলো আবার আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।

ঘটনাটি স্বর্ণ চোরাচালানের নতুন কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা স্বর্ণ দেশের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে না পারলে তা পুনরায় বিদেশে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে স্বর্ণের প্রকৃত উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা, সম্ভাব্য চোরাচালান চক্র এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।