জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চ গোপালগঞ্জ হয়ে যাবে। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জে কোনো পথসভা করবে না ১১ দল। গোপালগঞ্জ অতিক্রম করে বাগেরহাটের ফকিরহাটে গিয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের রুট ও পথসভার স্থান চূড়ান্ত করা হয়।

বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শুরু হবে। এরপর সকাল ৮টায় গাড়িবহর পদ্মা সেতু হয়ে মাওয়া সড়ক দিয়ে যাত্রা করবে।

citytouch 728-X-90

পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর গাড়িবহর ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মাদারীপুরের টেকেরহাট হয়ে গোপালগঞ্জের দিকে যাবে।

গোপালগঞ্জে পথসভা নয়

লংমার্চের গাড়িবহর গোপালগঞ্জ শহর দিয়ে বাগেরহাটের ফকিরহাটে যাবে। সেখানে কাটাখালী মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর রূপসা সেতু পার হয়ে খুলনা নগরীর শিববাড়ী মোড় ও ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হবে। পরে গাড়িবহর যশোরের চাচড়া মোড়ে যাবে এবং সেখানে আরেকটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সবশেষে কুষ্টিয়ার জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে।

পিছিয়েছে ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-সিলেট কর্মসূচি

এর আগে ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা সড়কপথে এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট রেলপথে লংমার্চ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দুর্গাপূজার কারণে ওই দুই কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-সিলেট লংমার্চ আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

৭ দফা দাবিতে লংমার্চ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এই লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে।