বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়েছেন জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। তার মুক্তির খবর পেয়ে তাকে একনজর দেখতে ও শুভেচ্ছা জানাতে কারাফটকে জড়ো হন জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

কারাগার থেকে বের হওয়ার পর নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর তার মুক্তিতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ দেখা যায়।

তবে মুক্তির পর আখতারুজ্জামান কিংবা উপস্থিত নেতাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির সংকট ও জমজমের পানি পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের বাক্‌বিতণ্ডা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব।

পরে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রিমান্ড শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতে জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হন তিনি।