প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের শিল্পে উন্নীত করা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যটন শুধু অবকাশযাপনের সুযোগ নয়; কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বে তুলে ধরার মাধ্যম। এ কারণে পর্যটন খাতের আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

citytouch 728-X-90

এ বছরের পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় আগামীর পর্যটন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এআই, বিগ ডেটা ও স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটনসেবা আরও সহজ, নিরাপদ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, ৩০টিরও বেশি জেলায় পর্যটন ক্লাস্টার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কমিউনিটি, ইকো, গ্রামীণ, কুলিনারি, নদী ও উপকূলীয় পর্যটনের বিকাশের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পর্যটন অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে হোটেল, বিনোদনকেন্দ্র ও পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বিস্তৃত জাতীয় বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নারী, তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নতুন সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।