পাবনা ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গরু ছাড়াই দুধ উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে। পাড়া-মহল্লা ও বাড়িতে বাড়িতে গড়ে ওঠা কথিত দুগ্ধ খামারের আড়ালে একটি অসাধু চক্র সয়াবিন তেল, সোডা, চিনি, লবণ ও পানি ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সামান্য পরিমাণ আসল দুধের সঙ্গে বিভিন্ন উপাদান মিশিয়ে ব্লেন্ড করে দুধের মতো তরল তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দেখতে অনেকটা আসল দুধের মতো হওয়ায় সাধারণভাবে তা শনাক্ত করা কঠিন বলে স্থানীয়দের দাবি।
অভিযোগ রয়েছে, নকল দুধকে আসল হিসেবে দেখাতে এতে চিনি ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান মেশানো হয়। পরে মেশিনে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে তৈরি করা হয় কথিত ‘খাঁটি’ দুধ। স্থানীয়দের দাবি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব দুধ দুগ্ধজাত পণ্য তৈরির কারখানা ও মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হচ্ছে। সিরাজগঞ্জের খোলা বাজারের দুধের হাটেও এসব দুধ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, অস্বাস্থ্যকর বা অননুমোদিত রাসায়নিক মেশানো তরল খাদ্য নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এমন পণ্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তবে দুধে কী কী উপাদান মেশানো হচ্ছে এবং তা কতটা ক্ষতিকর, তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা প্রয়োজন।
এদিকে দেশের সরকারি দুগ্ধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার নাম ব্যবহার করেও নকল দুধ বাজারজাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দুধের নমুনা পরীক্ষা এবং ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভোক্তারা।










