সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিদ্যালয়ের সামনেই লিটন চন্দ্র বর্মণ (৩০) নামে এক শিক্ষককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পাথারিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত লিটন চন্দ্র বর্মণ ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, লিটনের বাবা রবি চন্দ্র বর্মণের রেকর্ডভুক্ত একটি জায়গা নিয়ে একই গ্রামের সদর আলীর ছেলে টিনু মিয়ার সঙ্গে প্রায় দুই বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে। রোববার সকালে টিনু মিয়া তার ছেলে সঠিক মিয়া, ভাগনে মনির মিয়াসহ ৫-৬ জনকে নিয়ে ওই জায়গা দখলের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এ সময় তারা জায়গাটিতে লাল নিশান টানানোর চেষ্টা করেন।
বিষয়টি জানতে পেরে লিটন সেখানে গিয়ে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তার ওপর হামলা করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। টিনু মিয়া, তার ছেলে ও ভাগনেসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলে দাবি পরিবারের।
আহত শিক্ষক লিটন চন্দ্র বর্মণের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এর আগেও তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। রোববার বিদ্যালয়ের সামনে তাকে গালাগাল করার একপর্যায়ে পেছন থেকে দা দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে টিনু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ধর্মপাশা থানার ওসি মো. ইমাম হোসেন বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষকের ওপর হামলার খবর তারা পেয়েছেন। আহত শিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।










