এক দিনের রিমান্ড শেষ হলেও এখনই মুক্তি মিলছে না জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের। বিমানবন্দরের ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেছে পুলিশ।
রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করা হলে এ আবেদন জানানো হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম আদালতের কাছে আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।
আদালতে এ সময় আখতারুজ্জামানের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা তার জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে দুই পক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি চলছে।
আখতারুজ্জামানকে ঘিরে এই আইনি জটিলতার সূত্রপাত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে। গত ১ অক্টোবরের ওই ঘটনায় বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডার অভিযোগ ওঠে। এ সময় তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি সেখানেই থেমে থাকেনি। সংরক্ষিত এলাকায় ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ার জেরে এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি জমজমের পানির বোতল ছুড়ে ফেলা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও রয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ১ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। এর পরদিন শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
শনিবার আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আবার আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে রাখার আবেদন করে পুলিশ।
এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে আখতারুজ্জামানের পরবর্তী আইনি অবস্থান তিনি কারাগারে থাকবেন, নাকি জামিনে মুক্তি পাবেন।










