জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সোলার প্যানেল স্থাপন, বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং আধুনিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এতে কমিটির সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. আশরাফ উদ্দিন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, মো. সাইফুল আলম এবং মারদিয়া মমতাজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে একটি ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়। এ সময় সংসদ সচিবালয়ের সার্বিক বিদ্যুৎ চাহিদা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কার্যপরিধি, ভবনের বায়ু চলাচল এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের উপযোগী অব্যবহৃত জায়গার সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ডিপিডিসির মাধ্যমে সোলার পাওয়ার সিস্টেম চালুর লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সভায় এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।
জাতীয় সংসদ ভবনে বিদ্যুতের অপচয় রোধ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। পাশাপাশি ভবনের সব লাইট ও বাতি সেন্সর ব্যবস্থার আওতায় আনা, বিদ্যুতের অপচয় রোধে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা এবং অপচয়ের ক্ষেত্রে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখা ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিল যথাযথভাবে আদায়ের জন্য সাব-মিটার অথবা প্রিপেইড মিটার স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
সভায় সংসদ ভবনের মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবহারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে সংসদ অধিবেশন চলাকালে নামাজের এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য সময়ে নামাজের আধা ঘণ্টা আগে মসজিদের এসি চালু করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ডিপিডিসির প্রতিনিধি, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








