জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের (Permanent Residency) নিয়মে অক্টোবর থেকে নতুন কিছু কঠোর শর্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের জাপানে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ আর্থিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্থায়ী বসবাসের আবেদনকারীদের বার্ষিক পারিবারিক আয় জাপানের জাতীয় গড় আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। পাশাপাশি জাপানি ভাষায় দক্ষতা এবং ৩০ বছরের পেনশন প্রদানের সমপরিমাণ সঞ্চয় বা পেনশন-সুবিধার সক্ষমতা দেখানোর শর্তও যুক্ত হচ্ছে বলে আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

citytouch 728-X-90

জাপানের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের নীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই আবেদনকারীর স্বাধীনভাবে জীবনযাপন, কর ও অন্যান্য সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং জাপানে স্থায়ী বসবাস দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়। সাধারণ নিয়মে স্থায়ী বসবাসের জন্য অন্তত ১০ বছর জাপানে বসবাসের শর্তও রয়েছে।

নতুন নীতির ফলে জাপানে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের পরিকল্পনা করা বিদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে কয়েকজন বিদেশি বাসিন্দার আশঙ্কা তুলে ধরে বলা হয়েছে, কঠোর শর্তের কারণে কেউ কেউ জাপানের বাইরে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে পারেন।

এদিকে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে স্থায়ী বসবাসসহ বিভিন্ন আবাসন-সংক্রান্ত আবেদনের ফি পরিবর্তনও কার্যকর হচ্ছে বলে জাপানের ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সি জানিয়েছে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি ৩০ বছরের পেনশন-সঞ্চয়, গড় আয়ের চেয়ে বেশি আয় ও ভাষাজ্ঞানের নতুন শর্তগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে যে তথ্য এসেছে, সেগুলোর পূর্ণ প্রশাসনিক নির্দেশিকা জাপানের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত সাধারণ স্থায়ী বসবাসের নির্দেশিকায় এখনো একইভাবে প্রতিফলিত হয়নি। ফলে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্টদের সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।