মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোটের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, সোমবার খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফ শহরে হামলা চালায় হুথিরা। এতে বেসামরিক নাগরিকদের কেউ সামান্য, আবার কেউ মাঝারি মাত্রায় আহত হয়েছেন।

আল-মালিকি বলেন, বেসামরিক অবকাঠামো ও মানুষের ওপর এ ধরনের হামলা ইচ্ছাকৃত। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে এর কঠোর জবাব দেবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

citytouch 728-X-90

পাল্টা হামলার অভিযোগ হুথিদের

এর আগে সোমবার হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি অভিযোগ করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত পাঁচটি প্রদেশে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে।

তিনি দাবি করেন, সৌদি আরবের এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। এর ‘উপযুক্ত জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

সোমবার সকালে হুথিরা সৌদি আরবের খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুমকি দেয় গোষ্ঠীটি।

আবারও উত্তপ্ত ইয়েমেন পরিস্থিতি

ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত চলে আসছে। ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির পর কয়েক বছর ধরে সংঘাতের তীব্রতা অনেকটাই কমে এসেছিল। তবে গত জুলাই থেকে অঞ্চলটির আপাত শান্ত পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ সৌদি শহরগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং ইয়েমেনে পাল্টা বিমান হামলার দাবিতে নতুন করে সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।