মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হবে। একই সঙ্গে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়। সে হিসাবে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ২১০ দিন পর প্রথমবারের মতো সচিবদের নিয়ে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সচিব সভার আলোচ্যসূচিতে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করতে সিনিয়র সচিব ও সচিবদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—এমন গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয়ে সচিবদের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রস্তাবও পর্যালোচনা করা হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়ন পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হতে পারে।
সভায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাবিত কৌশলপত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে সচিবদের মতামত নেওয়া হবে।
সচিব সভাকে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের সভায় সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মঙ্গলবারের সভাকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো তাদের চলমান কার্যক্রম এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতির তথ্য পর্যালোচনার প্রস্তুতি নিয়েছে। সভায় সরকারের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা আসতে পারে।









