জনপ্রিয় ভারতীয় ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে অংশ নিতে আবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জার্মানিতে বসবাসকারী ধ্রুব রাঠী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে তিনি দিল্লিতে এসেছিলেন।
বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার মধ্যে অন্য অনেকের সঙ্গে ধ্রুব রাঠীকেও আটক করে পুলিশ। গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় তাঁর বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। শনিবার রাতে আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ধ্রুব রাঠীকে হেফাজতে রাখা হয়েছিল।
এদিকে, দিল্লিতে পৌঁছানোর পরপরই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকেও আটক করে দিল্লি পুলিশ। ধ্রুব রাঠীকে ছেড়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে পুলিশ জানায়, ওই তিন নেতার বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার কথা রয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১২৬ ধারা এবং ১৭০ ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২৬ ধারা শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকা নেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে, ১৭০ ধারা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দেয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিজেপি দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য পাওয়া যায়নি। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।









