দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করা হয় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে। শুনানির সময় কাঠগড়ায় গাজী নজরুলের পেছনে সরে গিয়ে মাকছুদাকে কান্না করতে দেখা যায়।

পুলিশের আবেদনে দুজনেরই সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই শামসুজ্জোহা সরকার বলেন, মরিয়মের মৃত্যুর সময় তারা একই বাসায় ছিলেন কি না এবং ঘটনায় তাদের কোনো প্ররোচনা বা ভূমিকা ছিল কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

রিমান্ডের বিরোধিতা করে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান তাদের জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতে গাজী নজরুলের বয়স ও তার সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের কথা তুলে ধরে বলেন, মামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।

citytouch 728-X-90

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়ে মরিয়মকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এবং মৃত্যুর আগে লেখা চিরকুটের কথা আদালতে তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একপর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মামলার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক মন্তব্য করলে বিচারক তাকে থামিয়ে বলেন, “আমরা এই মামলার প্রসঙ্গে থাকি। রাজনীতিতে না যাই।”

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।