সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধার হওয়া হাতে লেখা চিরকুট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার মা ফিরোজা খানম। তার দাবি, চিরকুটের লেখার সঙ্গে মরিয়মের হাতের লেখার কোনো মিল নেই।

সোমবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ দাবি করেন ফিরোজা খানম। তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া চিঠিতে দুই ধরনের হাতের লেখা দেখা যাচ্ছে। তার ভাষ্য, মরিয়মের হাতের লেখা এর চেয়ে খারাপ ছিল।

citytouch 728-X-90

মরিয়মের মৃত্যুকে স্বাভাবিক আত্মহত্যা হিসেবে মানতে নারাজ তার মা। তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় দায়ীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।

ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে ফিরোজা খানম জানান, এমপি নজরুল ইসলাম তার অসুস্থ স্বামীকে ফোন করে দ্রুত আসতে বলেন। তিনি ঢাকায় আসতে না পারায় স্বামীকে পাঠান। পরে সেখানে গিয়ে তিনি মরিয়মকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান বলে জানান।

এর আগে রোববার এমপি হোস্টেলের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জাতীয় সংসদের প্যাডসহ বিভিন্ন কাগজে লেখা কয়েকটি চিরকুট জব্দ করা হয়। চিরকুটগুলোতে সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয় উঠে এসেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা হওয়ার পর গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। চিরকুটের হাতের লেখা ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।