জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে অক্টোবরের শেষ দিকে চার দিনের সফরে টোকিও যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকে সামনে রেখে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


citytouch 728-X-90

সফরে মেট্রোরেলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

জাপান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দেশ। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি বাংলাদেশের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা করে আসছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রযুক্তি, জ্বালানি, অবকাঠামো এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময়ের মতো ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সফরে এসব বিষয়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

এর আগে জাপানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এরপর দুই দেশের কর্মকর্তারা সফরের তারিখ ও কর্মসূচি চূড়ান্ত করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেন।


প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের জাপান সফরে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে এই সফর।