নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায় এমন এক প্রার্থীর নাম এসেছে, যিনি বয়সসীমা অতিক্রম করায় ভাইভায় অংশই নিতে পারেননি। ভাইভায় অংশ না নেওয়ার পরও কীভাবে তাঁর নাম চূড়ান্ত তালিকায় এলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ওই প্রার্থীর নাম সোনিয়া খাতুন, রোল নম্বর ৪৬৭। তিনি আড়বাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম জেনেটের স্ত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল ৪০ বছর। তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী সোনিয়া খাতুনের জন্ম ১৯৮৪ সালে। সে হিসাবে ২০২৬ সালে তাঁর বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়ার কথা।
সোনিয়া খাতুন নিজেই জানান, বয়স বেশি হওয়ায় ভাইভার দিন তাঁর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। পরীক্ষকরা বয়সসীমার বিষয়টি জানিয়ে তাকে ফিরিয়ে দেন। তবে পরে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি নিজের নাম দেখতে পান।
ফলে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বয়স যাচাই, ভাইভায় অংশগ্রহণ এবং চূড়ান্ত তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভাইভায় অংশ না নেওয়া একজন প্রার্থী কীভাবে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেলেন, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবেন।
চূড়ান্ত তালিকায় সোনিয়া খাতুনের নাম অন্তর্ভুক্তির কারণ, তাঁর বয়স ও আবেদনসংক্রান্ত তথ্য কীভাবে যাচাই করা হয়েছে—এ বিষয়ে নিয়োগ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।










