ভোরের কুয়াশার পাশাপাশি ঘাস, গাছের পাতা ও ফসলের জমিতে জমে থাকতে দেখা গেছে শিশির। কুয়াশার মধ্যেই অনেকে হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করতে বের হন। তবে কম দৃশ্যমানতার কারণে সড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকদিন ধরে রাতের তাপমাত্রা দিনের তুলনায় কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোরে প্রথমবারের মতো কুয়াশার দেখা মিলেছে। অনেকেই এটিকে শীতের আগমনী বার্তা হিসেবে দেখছেন।
ডোমার পৌরসভার বাসিন্দা কাওছার আলম বলেন, গত চার-পাঁচ দিন ধরে দিনের তুলনায় রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকছে। বুধবার এ মৌসুমের প্রথম কুয়াশা দেখা গেছে। সামনে হয়তো প্রতিদিনই এমন কুয়াশা দেখা যেতে পারে।
তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, এটিকে এখনই শীতের কুয়াশা বলা ঠিক হবে না। সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, তাপমাত্রার তারতম্য ও বাতাসে থাকা জলীয়বাষ্পের কারণে ভোরে সাময়িক কুয়াশা বা আবছা আবরণ তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, দিনের তুলনায় রাত ও ভোরে ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বাতাস দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। তখন বাতাসের জলীয়বাষ্প ক্ষুদ্র জলকণায় পরিণত হয়ে বাতাসে ভেসে থাকে। এর ফলে ভোরের দিকে ঘাস, ফসলের মাঠ ও আশপাশের এলাকায় কুয়াশার মতো আবহ তৈরি হয়।
লোকমান হাকিম বলেন, এ সময় প্রকৃতপক্ষে শীতকালীন কুয়াশা হওয়ার কথা নয়। বুধবার সকাল ৬টায় সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।










