এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে ভুলের কারণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর তাদের মূল্যায়নের ভুলে ২ হাজার ৪৩৬ জন শিক্ষার্থীর ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে।

পুনর্নিরীক্ষণের পর মূল ফলে ফেল করা ৩৮০ জন শিক্ষার্থী নতুন করে পাস করেছে। এছাড়া ১ হাজার ৩০৪ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে এবং নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫২ জন

citytouch 728-X-90

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম হোসেন আলী বলেন, পরীক্ষকদের ভুলের ধরন ও মাত্রা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুলের ধরন অনুযায়ী প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে বিরত রাখা কিংবা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের দায়িত্ব না দেওয়ার মতো শাস্তি দেওয়া হতে পারে।

তিনি বলেন, পরীক্ষকদের এ ধরনের গাফিলতি বা ভুল কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সাত দিন পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়। এ সময় ২৮ হাজার ৮৬২ জন শিক্ষার্থী ৭৪ হাজার ৭১৭টি পত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন।

পুনর্নিরীক্ষণের ফল পর্যালোচনা করে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আসে। এরপর খাতা মূল্যায়নে ভুল বা গাফিলতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৬৮৪ জন প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষককে শনাক্ত করে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।